ওজন হ্রাসে পেটকে প্রশিক্ষণ দিন ৬ উপায়ে

0
99

অনেক সময়ই পেটকে ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্ক’ বলা হয়। কারণ আপনার পেট  হজম, পুষ্টি গ্রহণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পেটের অস্বাস্থ্যকর অবস্থা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করতে পারে। আপনার ওজন কমাতেও এই ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্কের’ স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হবে।

এ কাজটি করতে-অর্থাৎ পেটটাকে ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করতে ছয়টি উপায় বলে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. খাবারের ভিন্নতা 
আপনার খাদ্যাভ্যাসে ফাইবারজাতীয় শাক-সবজি, বিভিন্ন ধরনের ফলমূল রাখতে হবে। খাবারে যত বেশি বৈচিত্র্য থাকবে, আপনার অন্ত্র তত বেশি ভালো থাকবে। পেটের সুস্বাস্থ্যে সব সময় বাসায় রান্না করা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

অনেক সময়ই পেটকে ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্ক’ বলা হয়। কারণ আপনার পেট  হজম, পুষ্টি গ্রহণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পেটের অস্বাস্থ্যকর অবস্থা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করতে পারে। আপনার ওজন কমাতেও এই ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্কের’ স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হবে। এ কাজটি করতে-অর্থাৎ পেটটাকে ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করতে ছয়টি উপায় বলে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. খাবারের ভিন্নতা 
আপনার খাদ্যাভ্যাসে ফাইবারজাতীয় শাক-সবজি, বিভিন্ন ধরনের ফলমূল রাখতে হবে। খাবারে যত বেশি বৈচিত্র্য থাকবে, আপনার অন্ত্র তত বেশি ভালো থাকবে। পেটের সুস্বাস্থ্যে সব সময় বাসায় রান্না করা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এতে পেটটা ভালো থাকবে।

২. ধীরে খাওয়ার অভ্যাস 
কিছু সময় নিয়ে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে আপনার পরিপাকতন্ত্র সুষ্ঠুভাবে কাজ করবে। তাড়াহুড়ো করে এবং একসঙ্গে অনেক খাবার খাওয়ার অভ্যাস হজমশক্তিকে বাধাগ্রস্ত করে। এতে আপনার ওজন বেড়ে যাবে।

খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়া  আপনার পাকস্থলী হজমে সহায়ক এসিড উৎপাদন করে।

৩. মানসিক চাপ এড়িয়ে চলা
মানসিক চাপ আপনাকে তাড়াহুড়ো করে খেতে বাধ্য করে। মনে অতি অস্থির অবস্থা হজমশক্তিকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই যখন খাবার খাবেন, মনের যত চাপ দূরে সরিয়ে দিন। মন খাবারের দিকে দিন।

৪. নিয়মিত ব্যায়াম 
নিয়মিত ব্যায়াম, হাঁটা, দৌড়ানো, সাইক্লিং আপনার অতিরিক্ত ওজনকে কমিয়ে আনে। এটা পেটের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

৫. ওজন বাড়ায় এমন খাবার এড়িয়ে চলা
যে খাবারগুলো আপনার ওজন বৃদ্ধি করে বা পেটে সমস্যা বয়ে আনে, সেগুলো এড়িয়ে চলুন। এটা নিজেই খেয়াল করে বুঝে নিন। কিছু খাবার আপনার অ্যালার্জির জন্য দায়ী হতে পারে, কিছু খাবারে পেট খারাপ হয়ে যাবে। এগুলো অবশ্যই খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন।

৬. প্রোবায়োটিক 
প্রোবায়োটিক মেলে এমন খাবার বেছে নিন। এতে পেটের স্বাস্থ্য ভালোর দিকে যাবে। যেমন দই, মাঠা বা ঘোল পেটে উপকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে সহায়তা করে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে