রমজানে মুখের স্বাস্থ্যের যত্ন নিবেন যেভাবে

পবিত্র রমজান মাসে আমাদের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন হয়। যেহেতু খাওয়া শেষ হয় সাহ্‌রির মাধ্যমে, তাই সাহ্‌রির পর অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করে ঘুমাতে হবে। ইফতারের পর একবার দাঁত ব্রাশ করা ভালো। ইফতার বা সাহ্‌রির সময় মিষ্টি খাবার যেমন জিলাপি, রসগোল্লা, রসমালাই বা চিনিমিশ্রিত শরবত খাওয়া হয়; তাই তারপর অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করে নিতে হবে, নয়তো মিষ্টির শর্করাজাতীয় উপাদান দাঁতের এনামেলকে ক্ষয় করতে পারে।

রোজার সময় অভুক্ত থাকার কারণে মুখে অনেক সময় দুর্গন্ধ হয়। অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক; নাক, কান বা গলায় প্রদাহ; জিবের খাদ্যের প্রলেপ থেকে প্রদাহ ইত্যাদি। রোজার সময় দাঁত ব্রাশের নিয়ম ঠিকঠাক মানা হয় না। এ কারণে দাঁতে খাবার জমে মাড়িতে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। তাই ইফতার ও সাহ্‌রির পর অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করা প্রয়োজন।

ভিটামিন স্বল্পতার কারণে (বিশেষত ভিটামিন সি) মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে। এ কারণে রোজার সময় ইফতারে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’–সমৃদ্ধ খাবার যেমন লেবুর শরবত, জাম্বুরা, কমলালেবু, কামরাঙা, আমড়া, মাল্টা, আমলকী, আনারস খেতে হবে। এর সঙ্গে গাজর, শসা, টমেটো, লেটুসপাতা ইত্যাদির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন।

দেহের অন্যান্য রোগ ও শারীরিক সমস্যার কারণেও মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নিশ্চিত করতে হবে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাড়ি ও দাঁতে ডেন্টাল প্লাক জমে থাকায় মাড়িতে প্রদাহ হয়। এ ক্ষেত্রে একজন ডেন্টিস্টকে দিয়ে ডেন্টাল স্কেলিং করিয়ে নেওয়া ভালো। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *